borihi-season-finale-bengali-web-series-myo
borihi-season-finale-bengali-web-series-myo

বিরহী পুরো সিরিজ-

দর্শকদের জন্য উরিবাবা ইউটিউব চ্যানেল নিয়ে এসেছে বিনামূল্যে ওয়েব কন্টেন্ট দেখার সুযোগ। আর সেখানে “বাকিটা ব্যাক্তিগত”-র পরিচালক প্রদীপ্ত ভট্টাচার্যকে পেয়ে বেশ খুশি। আর ওয়েব সিরিজের ট্রেলারের প্রিমিয়ারে বিরহী গ্রামের কিছু ঝলক দেখে দর্শকদের অপেক্ষা বাড়তে থাকে। প্রতি সপ্তাহে শুক্রবার করে আসতে থাকে বিরহীর একটি একটি এপিসোড।

প্রথম এপিসোডে কাহিনীর মূল চরিত্র কৃষ্ণকান্ত হালদারের কাজ তার চাকরি পাওয়া, বন্ধু, চায়ের দোকান, নতুন স্কুলে যাওয়ার উত্তেজনা প্রস্তুতি এবং শেষ পর্যন্ত স্কুলে গিয়ে পৌঁছানো সব মিলিয়ে দারুণ ভাবেই শুরু হয়েছিলো বিরহী রুটের যাত্রা। মাঝে কিছু ফাঁক থাকলেও গল্পের গতি এবং সায়নের অভিনয়ে বাকি সব কিছু চাপা পড়ে গেছিল। পরের 2 টি পর্ব খুবই ছোটো ছোটো একটাতে গ্রাম ঘুরে বেড়ানো, বাবা-হাবার গল্প, আর একটা বাড়ি ফেরা ও পুরোনো কথা ভাবার মধ্যে দিয়েই শেষ হয়েছে। যেখানে সাধারণ গ্রামবাসীদের অভিনয় খুব একটা ভালো লাগেনি। এটার একটা কারণ বাজেট কমও হতে পারে। সেক্স নিয়ে একদম প্রকাশ্যে ঝগড়া, বা একজন আত্মহত্যা করতে যাচ্ছে আশঙ্কা করেও তাকে গালাগালি দিয়ে ডাকা- এই জিনিসগুলো খুব মেকি মনে হয়েছে আমার।

তবে কৃষ্ণের জমিদারদির দিকে তাকানো, উল্টে জমিদারের তাকে বলা “তোমায় ভাই মেনেছি মাস্টার” সমাজের এক অন্যরূপ দেখিয়েছে।জমিদারের ইতিহাস তার স্বামী ট্যাঁপা, ছেলে, মেয়ে- তার জীবনের গল্প তাকে গুরুত্বপূর্ণ বানিয়ে দিয়েছে পুরো সিরিজে।

রাধা কৃষ্ণের প্রেম এবং প্রেম থেকে বিয়ে পর্যন্ত তাদের কেমিস্ট্রি বেশ অন্যরকম দেখানো হয়েছে। রাধা ঠিক ট্রেডিশনাল নায়িকা নয়, সে লাফিয়ে উঠে পড়ে, সোজাসুজি কথা বলে এবং তার থেকেও বড়ো সে ডিভোর্সি, তার বিয়ে হয়ে গেছিল।সব শেষে জমিদারের ট্যুইস্ট দেখে সবাই অবাক হয়েছে। আর তার সঙ্গে রেখে গেছে পরের সিজিনের অপেক্ষা।

প্রদীপ্ত ভট্টাচার্য নিজেই বলেছেন উরিবাবা টিম থেকে তাকে 15 মিনিটের 5 টি এপিসোড বানানোর কথা বলা হয়েছিলো। তিনি আরও বলেন, বিরহী অনেক বড়ো একটা গল্প। সুতরাং তাকে মাত্র 2 ঘণ্টার মধ্যে ব্যক্ত করা সম্ভব নয়।বিরহী একটি individual approach হিসেবে অবশ্যই প্রশংসার দাবি রাখে, কিন্তু ওয়েব সিরিজ হিসেবে অনেক ফাঁক আছে। সিরিজ তৈরিতে আরো যত্ন নেওয়া দরকার ছিল। চরিত্র নির্ভর এই সিরিজে অনেক চরিত্রের ঠিক করে বিকাশের সময় দেওয়া হয়নি।আশা করি পরের সিজিনে বাকি চরিত্রগুলোর গল্প জানা যাবে। প্রদীপ্ত ভট্টাচার্যকে নিজের চেনা ছন্দে ফিরে পাওয়া যাবে এবং প্রতিটি এপিসোডের দৈর্ঘ্যও মোটামুটি আধ ঘণ্টার বেশি হলে ভালো লাগবে দেখতে।

Follow us on FacebookTwitter

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here